প্রিন্ট এর তারিখঃ Nov 3, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 31, 2026 ইং
আইনের লেবাসে নোংরা সন্ত্রাস

সাংবাদিক নাদিমকে ফাঁসাতে তৎকালীন এসপি মঈনুল ও ময়মনসিংহের সাবেক ডিবি ওসি ইমারতের ঘৃণ্য চক্রান্তের পর্দাফাঁস
বাদীর স্বীকারোক্তিতেই চুরমার ষড়যন্ত্রের নীলনকশা
অবশেষে খসে পড়ল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ছত্রছায়ায় সাজানো
নোংরা নাটকের মুখোশ। অনুসন্ধানী সাংবাদিক শেখ নাদিমকে মিথ্যা ও বানোয়াট অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর মূল হোতাদের রোমহর্ষক তথ্য এবার সরাসরি জনসমক্ষে। তৎকালীন ফ্যাসিবাদের দোসর, চিহ্নিত পুলিশ কর্মকর্তা এসপি মঈনুল হক এবং গোপালগঞ্জের তৎকালীন ওসি ইমারত হোসেন গাজীর প্রত্যক্ষ মদদ ও নির্দেশে যে এই বর্বরোচিত ষড়যন্ত্র সাজানো হয়েছিল তা প্রকাশ্যেই ফাঁস করে দিয়েছেন খোদ ওই মামলার বাদী এসআই জাকির হোসেন।
সম্প্রতি ফাঁস হওয়া চাঞ্চল্যকর অডিও রেকর্ডে স্পষ্ট কীভাবে সত্য প্রকাশে আপসহীন একজন কলম সৈনিকের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে রাষ্ট্রীয় অস্ত্র ও ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করা হয়েছিল।মামলার বাদীর নিজ মুখে এমন নগ্ন স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে, এটি কোনো সাধারণ তদন্তের ত্রুটি নয়; বরং একটি সুপরিকল্পিত প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধ ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও তাঁর পরিবার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ছড়িয়ে পড়া এই অডিও রেকর্ড সিআইডির মাধ্যমে নিরপেক্ষ ফরেনসিক পরীক্ষা করা হলেই এসআই জাকিরের এই স্বতঃস্ফূর্ত স্বীকারোক্তি এবং তার পেছনের রাঘববোয়ালদের কালো অধ্যায় জাতির সামনে দালিলিকভাবে উন্মোচিত হবে। আইনের পোশাক গায়ে জড়িয়ে যারা ক্ষমতার দালালি করে নিরপরাধ মানুষের জীবন ধ্বংসের হোলি খেলায় মেতেছিল, তাদের দিন শেষ।
অবিলম্বে এই জঘন্য চক্রান্তের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে এসপি মঈনুল, ওসি ইমারতসহ জড়িত প্রতিটি কুশীলবকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি করা এবং ভুক্তভোগী সাংবাদিককে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ দেওয়া এখন সময়ের অনিবার্য দাবি। সত্য চাপা দেওয়ার ক্ষমতা কোনো অপশক্তিরই নেই!
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক খবর সারাক্ষণ